বেহেস্ত মোট আটটি - ১। দারুল জালাল - আটা শ্বেত মোতি দ্বারা গঠিত। আল্লাহ তাআলা এ বেহেশতে তাঁর অতি প্রিয় বান্দাদেরকে স্থান দিবেন।
২। দারুস সালাম- আটা লাল ইয়াকুত মনি রত্ন গঠিত। বিপদাপদে ধৈর্যাবলম্বী হয়ে আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি পরিতুষ্ট থাকলে এ বেহেশত পাবে।
৩। জান্নাতুল মাওয়া- এটি পীত জমররদ পাথর ও জ্যোতির্ময় মনি রত্ন গঠিত। আল্লাহর প্রতি সর্বাবস্থায় নির্ভরশীল ব্যক্তিগণ এ বেহেশত লাভ করবে।
৪। জান্নাতুল খুলদ- এটা হরিদ্রা বর্ণের মুক্তা ও মনি রত্নে গঠিত। দোযখের যন্ত্রণা ভোগ করার পর যারা নিষ্কৃতি লাভ করবে, এ বেহেশত তাদেরই জন্য।
৫। জান্নাতুন নায়ীম- এটা খাঁটি রুপার দ্বারা গঠিত। শহীদ ও মোয়াযযেনদের জন্য এ বেহেশত।
৬। দারুল ক্বারার- এটা লৌহিত স্বর্নের গঠিত। ধর্মপরায়ণ হাফেজ ও আলেমদের জন্য এ বেহেশত।
জান্নাতুল ফেরদাউস- এর এক ইট রৌপ্যের, এক ইট স্বর্ণের এবং এক ইট জমরদ মনি রত্নের। এর চুন সুরকি মৃগনাভির। পয়গম্বর ও তাঁর অনুসারীগণ এ বেহেশতে বাস করবেন।
৮। জান্নাতু আদন- এটা শুভ্র মোতির দ্বারা গঠিত, সকল বেহেশত হতে শ্রেষ্ঠ।-(দাকায়েকুল আখবার)
এর দ্বার স্বর্ণের। এ বেহেশতের প্রশস্ততা যমীন হতে আসমান পর্যন্ত বিস্তৃত, স্বর্ণ- রৌপ্য দ্বারা এর ভিত্তি গাঁথা । এর সম্মুখস্থ মাঠ মেশক- আম্বর নির্মিত। এ বেহেশত হতে বহু নহর (প্রনালী) প্রবাহিত হয়ে অন্যান্য বেহেশতে মিলিত হয়েছে। সমুদয় নহরে মোতির কাঁকর রয়েছে। এসব নহরের পানি মধু অপেক্ষা মিষ্টি, বরফ অপেক্ষা শীতল। এসবের একটি নহরের নাম কাওসার। এ সম্বন্ধে আল্লাহ পাক কোরআনে এরশাদ করেন-
উচ্চারনঃ- ইন্না আতোয়াইনা কালকাওসার।
অর্থঃ- নিশ্চয় আমি আপনকে কাওসার দান করেছি। (সূরা কাওসার-১_
উল্লেখ্য, বেহেশতের নহরে কাওসার ব্যতীত নহরে কাফুর, শহরে তাসনীম, নহরে লাবান (দুধ), নহরে শহদ (মধু) ও নহরে সালসাবীল রয়েছে।
কোরআনে কারীমে বেহেশতের বর্ণনায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঘোষণা করেন-
উচ্চারনঃ-ওয়া সী- কাল্লাযীনাত্তাকাও রাব্বাহুম ইলাল জান্নাতি যুমারা, হাত্তা ইযা জাঊ-হা ওয়া ফুতিহাত আবওয়াবুহা ওয়া কা-লা লাহুম খাতানাতহা সালামন আলাইকুম তিবতুম ফাদখুলূহা খালিদীন।
অর্থঃ-যার তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত , তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হুবে। যখন তারা উন্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমদের প্রতি সালাম, তোমারা সুখে থাক। অতঃপর সদা-সর্বদা বসবাসের জন্য তোমারা জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা যু,আর-৭৩)
২। দারুস সালাম- আটা লাল ইয়াকুত মনি রত্ন গঠিত। বিপদাপদে ধৈর্যাবলম্বী হয়ে আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি পরিতুষ্ট থাকলে এ বেহেশত পাবে।
৩। জান্নাতুল মাওয়া- এটি পীত জমররদ পাথর ও জ্যোতির্ময় মনি রত্ন গঠিত। আল্লাহর প্রতি সর্বাবস্থায় নির্ভরশীল ব্যক্তিগণ এ বেহেশত লাভ করবে।
৪। জান্নাতুল খুলদ- এটা হরিদ্রা বর্ণের মুক্তা ও মনি রত্নে গঠিত। দোযখের যন্ত্রণা ভোগ করার পর যারা নিষ্কৃতি লাভ করবে, এ বেহেশত তাদেরই জন্য।
![]() |
বেহেশতের নামসমুহ |
৫। জান্নাতুন নায়ীম- এটা খাঁটি রুপার দ্বারা গঠিত। শহীদ ও মোয়াযযেনদের জন্য এ বেহেশত।
৬। দারুল ক্বারার- এটা লৌহিত স্বর্নের গঠিত। ধর্মপরায়ণ হাফেজ ও আলেমদের জন্য এ বেহেশত।
জান্নাতুল ফেরদাউস- এর এক ইট রৌপ্যের, এক ইট স্বর্ণের এবং এক ইট জমরদ মনি রত্নের। এর চুন সুরকি মৃগনাভির। পয়গম্বর ও তাঁর অনুসারীগণ এ বেহেশতে বাস করবেন।
৮। জান্নাতু আদন- এটা শুভ্র মোতির দ্বারা গঠিত, সকল বেহেশত হতে শ্রেষ্ঠ।-(দাকায়েকুল আখবার)
এর দ্বার স্বর্ণের। এ বেহেশতের প্রশস্ততা যমীন হতে আসমান পর্যন্ত বিস্তৃত, স্বর্ণ- রৌপ্য দ্বারা এর ভিত্তি গাঁথা । এর সম্মুখস্থ মাঠ মেশক- আম্বর নির্মিত। এ বেহেশত হতে বহু নহর (প্রনালী) প্রবাহিত হয়ে অন্যান্য বেহেশতে মিলিত হয়েছে। সমুদয় নহরে মোতির কাঁকর রয়েছে। এসব নহরের পানি মধু অপেক্ষা মিষ্টি, বরফ অপেক্ষা শীতল। এসবের একটি নহরের নাম কাওসার। এ সম্বন্ধে আল্লাহ পাক কোরআনে এরশাদ করেন-
উচ্চারনঃ- ইন্না আতোয়াইনা কালকাওসার।
অর্থঃ- নিশ্চয় আমি আপনকে কাওসার দান করেছি। (সূরা কাওসার-১_
উল্লেখ্য, বেহেশতের নহরে কাওসার ব্যতীত নহরে কাফুর, শহরে তাসনীম, নহরে লাবান (দুধ), নহরে শহদ (মধু) ও নহরে সালসাবীল রয়েছে।
কোরআনে কারীমে বেহেশতের বর্ণনায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঘোষণা করেন-
উচ্চারনঃ-ওয়া সী- কাল্লাযীনাত্তাকাও রাব্বাহুম ইলাল জান্নাতি যুমারা, হাত্তা ইযা জাঊ-হা ওয়া ফুতিহাত আবওয়াবুহা ওয়া কা-লা লাহুম খাতানাতহা সালামন আলাইকুম তিবতুম ফাদখুলূহা খালিদীন।
অর্থঃ-যার তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত , তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হুবে। যখন তারা উন্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমদের প্রতি সালাম, তোমারা সুখে থাক। অতঃপর সদা-সর্বদা বসবাসের জন্য তোমারা জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা যু,আর-৭৩)
- সূত্রঃ (মৃত্যুর আগে ও হাসরের পরে, পৃঃ ১১৫-১১৬)
বাকি পর্ব গুলো পড়ুন
- মৃত্যু সৃষ্টির রহস্য
- আত্মা কবজের পদ্ধতি
- মালাকুল মউতের মৃত্যু
- নির্ধারিত স্থানে আত্মা কবয করা হবে
মৃত্যুর পূর্বে যমিন ও কবরের ঘোষণা
মুমূর্ষু ব্যক্তির অঙ্গ- প্রত্যঙ্গের বাধাদান
আযরাইল (আঃ) -এর সাথে আত্মার কথোপকথন
মুমূষু ব্যাক্তির সাথে ফেরেশতাদের কথাবার্তা
কেরামান কাতেবীনের পরিচয়
মৃত্যুর কঠোরতা
যে কাজ মৃত্যুর পর তারাতারি বেহেশতে পোছায়
জীবিত থাকার চেয়ে মৃত্যু উত্তম
মৃত্যুর সময় শয়তানের প্রলোভন
ইমাম আবু জাফর কুরতুবীর মৃত্যু এবং শয়তানের উপস্থিতি
মৃত্যুর সময় শয়তানের প্রতারণায় পড়ার করণ
মুমূর্ষু ব্যক্তিকে ধর্মোপদেশ
মুমেন ও কাফেরের আত্মা কবজের ব্যবধান
Comments
Post a Comment
আপনার ভালো কমেন্টের জন্য লেখক কে আরো সুন্দর পোস্ট লিখতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।